রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন

রোকেয়াকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্র্যান্ডিং করবে ই-লার্নিং সেন্টার

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে নানা কারণে বন্ধ থাকার পর চলতি বছরের শুরু থেকে নতুন উদ্যোমে কাজ শুরু করেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ই-লার্নিং সেন্টার।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইটের পর সম্প্রতি ২য় ওয়েবসাইট হিসেবে ই-লার্নিং সেন্টারের ওয়েবসাইট উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিকে একটি স্বতন্ত্র গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার জন্য পাঁচ বছরের একটি পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নং একাডেমিক ভবনের ৩য় তলায় অস্থায়ীভাবে স্থাপিত ই-লার্নিং সেন্টারে একটি লাইব্রেরি আছে। লাইব্রেরিতে গবেষণা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু বই রাখা হয়েছে। এতে এখন থেকেই প্রতিষ্ঠানটির সুফল পেতে শুরু করেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। অনেকেই তাদের গবেষণা কর্মে ই-লার্নিং সেন্টারের সহযোগিতা নিচ্ছেন।

জানা যায়, বর্তমানে ই-লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা, ই লার্নিং ট্রেনিং ও ই-কোর্স চালু, ই-পেপার সংযুক্তকরণের কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটিতে তথ্য যাছাইয়ের জন্য টার্নাটিন নামের একটি সফটওয়্যার রাখার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এই সফটওয়ারের মাধ্যমে গবেষণা পেপার যাছাই করা যাবে। কারো লেখা নিয়ে অভিযোগ উঠলে সহজেই পরীক্ষা করা যাবে। ই-লার্নিং সেন্টারের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ড. আবু রেজা মো. তৌফিকুল ইসলাম পরিবর্তন ডটকমকে জানান, আপাদত ৫ বছরের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী ৫ বছরের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটিকে স্বতন্ত্র রিসার্স ও ট্রেনিং ইনস্টিটিউট করা হবে। ভবিষ্যতে এখান থেকে বিভিন্ন পাবলিকেশন প্রকাশ করা হবে। এই প্রতিষ্ঠানে ডিপ্লোমা, এমফিল এবং পিএইচডি করা যাবে।

তিনি আরও জানান, এই প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। বিদেশি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাথে এই প্রতিষ্ঠানের ঘনিষ্ট সম্পর্ক গড়ে তোলা হবে। ই-লার্নিং সেন্টারের পরিচালক আরো বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের সফলতা বেগম রোকেয়া বিশ্বদ্যিালয়কে আন্তর্জাতিক অঙ্গণে ব্র্যান্ডিং করবে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ই-লার্নিং সেন্টার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণার প্লাটফর্ম হবে।

ড. তৌফিকুল বলেন, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. ওয়াজেদ রিসার্স এন্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট নামে একটি মাত্র গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির জন্য ভবন নির্মাণ হচ্ছে। ভবনটি নির্মিত হলে সেখানেই স্থানান্তর হবে ই-লার্নিং সেন্টার। এরপর থেকেই মূলত পূরো উদ্যোমে কাজ করতে পারবে ই-লার্নিং সেন্টার।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে এই প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তন হতে পারে এবং প্রতিষ্ঠানটির জন্য একেবারেই স্বতন্ত্র অবকাঠানো নির্মিত হতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ই-লার্নিং সেন্টারের একটি পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সেই পর্ষদের চেয়ারম্যান এবং সেন্টারের পরিচালক সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com